যে সকল শব্দ ব্যুৎপত্তি দ্বারা অথবা সমাস দ্বারা গঠিত হয় – তাকে বলে-

Updated: 1 month ago
  • মৗলিক শব্দ
  • যৌগিক শব্দ
  • সাধিত শব্দ
  • রূঢ়ি শব্দ
  • যােগরূঢ় শব্দ
660
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা শব্দকে গঠনগত দিক থেকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ১. মৌলিক শব্দ এবং ২. সাধিত শব্দ।

সাধিত শব্দ: যে সকল শব্দকে বিশ্লেষণ করলে বা ভাঙলে একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়, তাদের সাধিত শব্দ বলে। এই শব্দগুলো মূলত ব্যুৎপত্তি (যেমন, উপসর্গ, প্রত্যয় যোগে) অথবা সমাস (একাধিক শব্দ মিলে একটি নতুন শব্দ গঠন) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত হয়। প্রশ্নোক্ত ‘ব্যুৎপত্তি দ্বারা অথবা সমাস দ্বারা গঠিত হয়’ এই বর্ণনাটি সাধিত শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়।

  • ব্যুৎপত্তি দ্বারা গঠিত: যেমন, ‘কর্তব্য’ (কৃ + তব্য), ‘চালক’ (চল্ + অক), ‘অকাল’ (অ + কাল)। এখানে প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
  • সমাস দ্বারা গঠিত: যেমন, ‘সিংহাসন’ (সিংহ চিহ্নিত আসন), ‘নীলকমল’ (নীল যে কমল), ‘তেপান্তর’ (তিন প্রান্তরের সমাহার)। এখানে একাধিক পদ যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:

  • মৌলিক শব্দ: যে সকল শব্দকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করা যায় না, তাদের মৌলিক শব্দ বলে। যেমন – মা, হাত, মুখ, গাছ, ফুল ইত্যাদি। এগুলো ব্যুৎপত্তি বা সমাস দ্বারা গঠিত নয়।
  • যৌগিক শব্দ: যে সকল সাধিত শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমন – ‘গায়ক’ (যে গান করে), ‘দহিত্র’ (দৌহিত্র - দুহিতা বা কন্যার পুত্র)। এগুলো সাধিত শব্দের একটি প্রকারভেদ।
  • রূঢ়ি শব্দ: যে সকল সাধিত শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ ভিন্ন হয়, তাদের রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন – ‘হস্তী’ (হস্ত আছে যার - কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ শুধুমাত্র হাতিকে বোঝায়, হাত আছে এমন অন্য কিছুকে নয়)। এটিও সাধিত শব্দের একটি প্রকারভেদ।
  • যোগরূঢ় শব্দ: যে সকল সাধিত শব্দ সমাসের দ্বারা গঠিত হয় এবং তাদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ ভিন্ন হয়, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন – ‘পঙ্কজ’ (পঙ্কে জন্মে যা - কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ শুধুমাত্র পদ্মফুলকে বোঝায়, পঙ্কে জন্মানো অন্য কিছুকে নয়)। এটিও সাধিত শব্দের একটি প্রকারভেদ।

সুতরাং, ব্যুৎপত্তি বা সমাস দ্বারা গঠিত শব্দগুলোকে সাধারণভাবে ‘সাধিত শব্দ’ বলা হয়।

Sumaiya Mim
Sumaiya Mim
1 month ago

সাধিত শব্দ : যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে। উদাহরণ : চাঁদমুখ (চাঁদের মতো মুখ), নীলাকাশ (নীল যে আকাশ), ডুবুরি (ডুর্+উরি), চলন্ত (চল্ + অন্ত), প্রশাসন (প্র+শাসন), গরমিল (গর+মিল) ইত্যাদি ।

Related Question

View All
Updated: 6 months ago
  • মধুর কল্পনা
  • সুন্দর কল্পনা
  • অসার কল্পনা
  • বিকৃত কল্পনা
130
  • উপসর্গ দিয়ে
  • প্রত্যয় দিয়ে
  • উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে
  • রেফ দিয়ে
403
Updated: 10 months ago
  • দায়িত্ব
  • দয়ালু
  • রাজপুত্র
  • কোনটিই নয়
237
  • বঙ্গভাষা
  • অসুস্থ
  • ঘনত্ব
  • সাতে-পাঁচে
543
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই